Rudra M. Al-Amin’s short story
(Episode-03)

"Rights"

The situation in Assam is getting worse and worse. No one returns to hot Assam.
After that, Ramiz Mia started fishing in the river with the help of that boy (Gohar). He lived in Monpura Char by building a hut with the money he earned.
After two years, one day, Gohar suddenly disappeared. Then, Ramiz Mia built a boat with the saved money.
After some time, Ramiz went to his house to look for the cave but he was not found there either.
Although he did not return to Gohar, he learned to fish well from him. Fishing once became his profession for a living.

Ramiz worked hard every day to get back to Kachar. But even after several years
The situation in Assam showed no signs of calming down.

The memory of Assam left him crying every day. The year passed in Monpura, Ramiz realized that his girlfriend Aleya might not be waiting for him anymore. Or while distributing Bengali Muslims, Aleya may have become a vocalist elsewhere. Maybe she has become the mother of two or four children so far.

Nowadays, Ramiz doesn’t bother with too many things. Jahanara has also grown up. She does not have the ability to get married, and besides, there is no good boy in the slum (who will marry jahanara.

Nowadays, Ramiz’s friendship with tobacco traders has increased many times over.
Because, they can say the situation in Assam is very good.  They often travel from here to Assam with tobacco leaves to sell tobacco leaves.
There is a lot of demand for tobacco in this region.
Ramiz was further upset when he heard about the situation in Assam.
Among them, tobacco trader Jabbar said that there are now frequent clashes between the government forces and the armed forces (ULFA).
(Continued)

) who will marry Jahanara.

রুদ্র ম আল-আমিন এর ছোটগল্প
                              (পর্ব-০৩)

           ”  স্বাধিকার “

আসামের পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকে।উত্তপ্ত আসামে কারোর আর ফেরা হয় না।
এরপর,ওই ছেলেটির(গহর) সহায়তায় নদীতে মাছ ধরার পেশায় নিয়োজিত হন রমিজ মিয়া।উপার্জনের টাকা পয়সায় একটি ঝুপড়ি বানিয়ে বসবাস করতে থাকেন মনপুরা চরে।
দু’বছর পর হঠাৎ একদিন গহর নিরুদ্দেশ হয়ে যায়।এরপর, রমিজ মিয়া সঞ্চিত টাকায় একটি নৌকা তৈরি করেন।
বেশ কিছুদিন পর গহরের সন্ধান করতে রমিজ তার বাড়ি গিয়েছিল কিন্তু সেখানেও তাকে পাওয়া যায়নি ।
গহরকে আর ফিরে না পেলেও তার কাছে শেখা মৎস শিকার সে বেশ  ভাল ভাবেই শিখেছিল। জীবিকা নির্বাহের জন্য একসময় মাছ ধরা তার পেশাতে পরিনত হল।

রমিজ কাছাড়ে ফিরে যাইবার জন্য দিনরিত পরিশ্রম করতো।   কিন্ত বেশ কয় বছর কেটে গেলেও া
আসামের পরিস্থিতি শান্ত হইবার কোন লক্ষণই দেখা গেল না।

আসামের ফেলে আসা স্মৃতি তাঁকে রোজ কাঁদিয়ে বেড়াত। বছর পাচেক কেটে গেল মনপুরায়, রমিজ ধরে ননিল যে তার প্রেমিকা আলেয়া হয়তো আর তার জন্য অপেক্ষায় নেই। কিম্বা বাঙ্গালী মুসলিমদের বিতারিত করবার সময় আলেয়াও হয়তো অন্যত্র স্বরনার্থী হয়ে আছে। হতে পারে এতদিনে তার দুচারটে বাচ্চার মা হয়ে গেছে।

আজকাল খুব বেশী ওসব নিয়ে মাথা ঘামায় না রমিজ। দেখতে দেখতে  জাহানারাও অনেক বড় হয়ে গেছে।বিবাহ দেবার মত সামর্থ্য তার নাই, আর তাছাড়া বস্তিতেও (চর) তেমন কোন ভাল ছেলে নাই যে জাহানারাকে বিবাহ দেবে।

ইদানিং তামাক ব্যবসায়ীদের সাথে রমিজের সখ্যতা আগের চেয়ে অনেকগুণ বেড়ে গেছে।
কারন, আসামের পরিস্থিতি তারা খুব ভালো বলতে পারে। তারা এখান থেকে তামাক পাতা নিয়ে প্রায়ই যাতায়াত করে আসামে, তামাক পাতা বিক্রির জন্য।
এ অন্চলের তামাকপাতা ওখানে প্রচুর চাহিদা আছে।
তাদের নিকট থেকে আসামের পরিস্থিতি শুনে  রমিজের মন আরো ভেঙে পড়ে।
এদের মধ্যে তামাক ব্যবসায়ী জব্বার জানায় যে সেখানে এখন সশস্ত্র বাহিনীর (উলফা) সাথে সরকারি দলের প্রায়ই সংঘর্ষ ঘটে থাকে।
(চলবে)