Rudra M. Al-Amin’s short story
(Episode-02)
“Rights” "

I think I will go to Assam If you go to Assam, I will find you, I think I will go to Assam

I’ll hang a pair of fans,
Babu says kam kam saheb
Sardar says Lebo’s back skin,
O Jaduram, I have driven Assam. “

The Brahmaputra is the name of a curved river that descends down the slope of a mountain. The time of landslides that flowed towards the lowlands (formerly East Pakistan / Bangladesh).
A branch of this Brahmaputra has fallen into the river Jamuna.
In the love of Abir’s father Pran, this branch came one day holding the hand of the river, to the new char Monpura, which is awake on the Jamuna.
(Located south of Bangabandhu Bridge which is now in the riverbed).

Open sky above the head at night, and the sun during the day. Hunger continues to cut in half day after day.
Not only Abir’s father Ramiz and his younger sister Jahanara, there are about a hundred people in this group.
Of these, only Jahanara is Ramiz’s own.
Among them were two or four families.
From time to time dinghy boats would come from far and wide to feed Gur Muri.
After a few days, no one came forward to give Gur Muri.

No one dared to go out of this awake char, Monpura. As soon as night fell, Ramiz Mia used to sit holding the hand of her sister. Because, at night, the fish hunters often teased the helpless girls. There was no one to protest.

There was nothing like building a canopy.  Jahanara was fidgeting with hunger.  There is no provision for handing over food.
Sitting on the bank of the river, the two sisters were weeping with their faces facing each other. Suddenly Ramiz saw a boy of the same age fishing.  Ramiz went to the shore and shouted
ঃ A-ma-ke — Ma-ch to catch?
Hey hey hey hey hey
At first he did not respond but at the last moment he said,
Aita-chi —
Ten minutes later he came forward with the dinghy, but Ramiz was talking
The boy dabbed and stared at Jahanara.
Finally said,
– There is no turn, Dimu?
Jahanara is speechless, staring at her grandfather.
He picked up the deck and handed it to Jahanara, who was wrapped in a towel.
– Is your name?
Jahanara
– I will come and take a towel one day
When leaving the dinghy, Ramiz said,
– Do you want to catch fish?  Me
He was silent for a while and then said
য়ো Come here at dawn ,,,,,,,
(Continued)

রুদ্র ম আল-আমিন এর ছোটগল্প
                              (পর্ব-০২)
           ”  স্বাধিকার “

                    ” মনে করি আসাম যাবো
                     আসাম গেলে তোমায় পাবো,
                      মনে করি আসাম যাব
জোড়া পাঙ্খা টঙাইবো,
বাবু বলে কাম কাম সাহেব বলে ধরি আন
সর্দার বলে লিবো পিঠের চাম,
হে জদুরাম, ফাঁকি দিয়া চলাইলি আসাম।”

পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নেমে আসা, আঁকা বাঁকা নদীটির নাম ব্রহ্মপুত্র।  ভূ-ভাঁজের সময় যাহা নিম্নাঞ্চলের দিকে বয়ে গেছে (সাবেক পূর্ব পাকিস্তান /বাংলাদেশ)।
এই ব্রহ্মপুত্রের একটি শাখা, যমুনা নদীতে পতিত হয়েছে।
আবিরের বাবা প্রানের মায়ায়, এই শাখা নদীটির হাত ধরে একদিন চলে এসেছিলেন, যমুনার জেগে থাকা নতুন চর মনপুরায়,,
(বঙ্গবন্ধু ব্রীজের দক্ষিণে অবস্থিত যাহা বর্তমানে নদী গর্ভে বিলীন)।

রাতের বেলা মাথার উপরে খোলা আকাশ, আর দিনের বেলা খাড়া রোদ।অনাহারে অর্ধাহারে কাটতে থাকে দিনের পর দিন।
আবিরের বাবা রমিজ ও তাঁর ছোট বোন জাহানারা শুধু  না,এই দলের সারথি প্রায় স-খানেক লোকজন।
এদের মধ্যে রমিজের আপন বলতে শূধু জাহানারা।
এদের মধ্যে দু চারজন পরিবার সমেতও ছিল।
দুর দুরান্ত থেকে ডিঙা নৌকা নিয়ে মাঝে মধ্যে আসত, গুর মুড়ি খাবার দিতে।
অল্প দিন পরই, গুর মুড়ি তাহাও দেবার মত কেউ এগিয়ে আসে নাই ।

এই জেগে থাকা চর, মনপুরা থেকে কেউ বাইরে বেরুতেও সাহস পেতো না। রাত নামলেই, সাবালিকা বোনটির হাত ধরে বসে থাকতো রমিজ মিয়া। কারন, রাতের বেলা মাছ শিকারিরা, প্রায়ই উত্বক্ত করতো অসহায় মেয়েগুলোকে। প্রতিবাদ করার মত যেন কেউ ছিল না।

ছনেপাতার ছাউনি বানানোর মতনও তেমন কিছই ছিল না।। খিদের তারনায় ছটফট করছিল জাহানারা। খাবার তুলে দেবার মত নেই কোন ব্যাবস্থা,।
নদীর ধারে বসে দুভাই বোন দুদিকে মুখ রেখে ফুপিয়ে কাঁদছিল।হঠাৎ রমিজের চোখে পরল তার সমবয়সী একটি ছেলের মাছ ধরা। রমিজ কিনারে গিয়ে হাঁক ছারল
ঃ আ-মা-কে— মা-ছ ধরাতে নিবা?
হে-হে-হে-হে—
প্রথমে তেমন সাড়া দিল না কিন্ত পরমুহুর্তে বলিল,,
ঃআইতা-ছি—
মিনিট দশেক পর ডিঙা নিয়ে এগিয়ে এলো,  রমিজ কথা বলছিল কিন্ত
ছেলেটি ড্যাবড্যাব করে জাহানারার দিকে তাঁকিয়ে রইল।
শেষমেষ বলিল,
ঃমুড়ি নায় আছে,,  দিমু?
জাহানারা নির্বাক, দাদার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাঁকিয়ে,,,
পাটাতন উঠাইয়া গামছায় মোড়ানো মুড়ি জাহানারার হাতে দিল আর জিগাইল,
ঃনাম কি তুমার?
ঃ জাহানারা
ঃআরেকদিন আইসা গামছা নেবো নে
ডিঙা ছাড়িবার কালে,,  রমিজ কহিল,
ঃমাছ ধরাতে নিবা? আমাকে
খানিকক্ষণ চুপ থাকিয়া এর পর বলিল
ঃ ফজর কালে এহানে আইয়ো,,,,,,,
(চলবে)