Rudro M. Al-Amin’s short story
(Episode-01)
“Rights”

At the Monpura market, Abir was sitting on the bench of a tea shop listening to the news on television. Suddenly the roar of Rohingyas appeared on the screen. Rohingyas are being deported from Rakhine. They are rushing towards Bangladesh.
Abir hurried to the house. From outside the house, he started calling his father loudly. Baba’s house as soon as he reached the yard
Barely stepping out of,

  • Dad, are you listening? The Rohingyas are being chased away. Millions of people are coming to us. Not so long ago, and when I closed my eyes, it came to my notice in 19
  • 61 .. Abir’s father lived very close to Kachar. After finishing the eleventh class, he has just been promoted to the twelfth class. Student politics was learned a lot in one year. Led by Chief Minister Bimala Prasad Chalihar
    The Congress government introduced a bill in favor of Assamese as the official language in the Assam Legislative Assembly.
    And because of this, the Assamese (people living on the high and low hills) started the movement for language. According to the government, 11 civilians were killed. The whole of Assam trembled, in a procession of death. Darkness descends on Kachar. When the people of Kachar became the moment, the people of Kachar became refugees at the moment. People like streams started coming towards Brahmaputra..People like streams started coming towards Brahmaputra. Abir’s grandfather was also killed at that time. To save his life, Abir’s father and uncle run barefoot for miles.
    One day he came to this Monpura as a refugee.
  • (Continued)

রুদ্র ম আল-আমিন এর ছোটগল্প
                              (পর্ব-০১)
           ”  স্বাধিকার “

মনপুরার হাটে, আবির চায়ের দোকানের বেন্চিতে বসে টেলিভিশনে খবর শুনতে ছিল। হঠাৎ পর্দায় ভেসে উঠল রোহিঙ্গাদের আহাজারি। রাখাইন থেকে বিতারিত করা হচ্ছে রোহিঙ্গাদের। তারা স্রোতের মত ধেয়ে আসছে বাংলাদেশের দিকে।
আবির দ্রুত পা ফেলে হনহন করে ছুটল বাড়ির দিকে। বাড়ির বাহির থেকেই বাবাকে জোরে জোরে ডাকতে লাগল। উঠোনে কোনমতে পৌছেতেই বাবা ঘর
থেকে সবে পা ফেলছে,
ঃবাবা শুনছো? রোহিঙ্গাদের খেদাইয়া দিতাছে।লাখ লাখ মানুষজন আইতাছে আমাগো দিকে।

খুব বেশিদিন আগের কথা নয় আর চোখ বন্ধ করলেই, চোখের সামনে ভেসে ওঠে ১৯৬১ সাল।।কাছাড়ের খুব কাছাকাছি বসবাস করত আবিরের বাবা।মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হওয়ায় লেখাপড়ার সুযোগ পেয়েছিল, তার জের ধরেই কলেজে যাতায়াত। একাদশ শ্রেণীর শেষ করে সবে মাত্র দ্বাদশ শ্রেণীতে উন্নীত হয়েছে। এক বছরেই ছাত্ররাজনীতি অনেকটা শেখা হয়ে গিয়েছিল।ঠিক তখনই,,

মুখ্যমন্ত্রী বিমলাপ্রসাদ চালিহার নেতৃত্বাধীন
কংগ্রেস সরকার, আসামের বিধানসভায় সরকারি ভাষা অসমীয়র পক্ষে একটি বিল আনেন।
আর এর জের ধরেই ভাষার জন্য আন্দোলনে জরিয়ে পরে আসমীয়রা (পাহাড়ের উচু নিচুতে বসবাসরত লোকজন)।

সরকারি মতে ১১জন বেসামরিক লোক নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। পুরো আসাম কেঁপে উঠে,  মৃত্যুর মিছিলে। কাছাড়ে নেমে আসে অন্ধকার ।

কাছাড়ের লোকজন মুহূর্তে হয়ে গেলে কাছাড়ের লোকজন মুহূর্তে হয়ে গেলে শরণার্থী।স্রোতের মতো লোকজন আসতে শুরু করলো ব্রহ্মপুত্র দিকে।।স্রোতের মতো লোকজন আসতে শুরু করলো ব্রহ্মপুত্র দিকে। আবিরের দাদাও নিহত হয় সে সময়। প্রান বাচাতে আবিরের বাবা ও ফুপু খালি পায়ে ছুটতে থাকে মাইলের পর মাইল।
শরনার্থী হয়েই একদিন এসেছিল এই মনপুরায়।
       (চলবে)