“নামহীন ”
রুদ্র ম আল-আমিন

চায়ের বেন্চিতে ব’সে,
রোজ দু’ফোটা অশ্রু ঝরায়
সেথায় বিবেক গলে না কারো, তাঁহার আর্তচিৎকার শুনি।
চোখোমুখে ফোটা ফোটা পানি
তাঁহার কান্না,আমরা হয়তো অনেকেই জানি।
মুক্ত স্বাধীন দেশে,
তাঁকে তাহার বাপে বিতারিত করেছিল,
একদা জরিনা’র প্রেমে মজেছিল ব’লই।
ঘরে বৈমাত্রেয় মা,
স্বাধীনতা তাহার নেইকো কোথাও
দেশটা তখুন সদ্য স্বাধীন।
এই ভদ্র মানুষটি, একদা অবশেষে ধর্ম দিয়াছে বলী।
রাইফেল তাঁর,
পুড়েছে বাপের বাড়ি।
পোড়া কাঠ,পোড়া মাটির হাড়ি,
বাড়ির উঠোনে ছড়ায়ে ছিটিয়ে রয়েছে সবই।
বিচ্ছেদ করেছে বাবা, বিচ্ছেদ করেছে তাঁরে, বৈমাত্রেয় মা বহুদিন ধরি।
ছোট্র ছোট্র ভাই’য়েরা
আজি সংসার পেতেছে এই রংপুর শহরের
অলিগলি ধরি।
জৈষ্ঠো ছেলেটি অভিমানে
হঠাৎ একদিন
শহর ছাড়িল জরিনার চেনা পথ ধরি।
পরিচয় হারা হ’য়ে
নামধাম হারালো এই সেই মুক্তিকামী।
রমেশ এখুন
নতুন নামে বেঁচে আছে জরিনার পিতৃভূমি।
এরপর,
এর পর ধর্ম তাহাদের নিয়ে গেছে দু’দিক চলি।
২৩/০৫/২০২০