কবিতাটির নামঃ
“পদধূলি ”

রুদ্র ম আল-আমিন

বিশ্লেষণ ঃ-

“গল্প ফুরোবার তরে রাত্রিনিবাস,
এখুনো দাড়ায়ে রয়ে চাতকের গহ্বরে। ”

এক নটবর একদিন রাজপ্রাসাদে তার বন্ধুর আমন্ত্রণ পেয়ে হাজির হয়।
বুড়ো বয়সে নটবর দে্খতে পায় রাজবাড়ি আছে তবে রাজকার্যর পরিবর্তে
সেখানে কেবল একটা অন্য ধর্মের বাৎসরিক অনুষ্ঠান হয় সে্খানে।

“”নারীছেড়া তান গাংদাড়ায় লেগে
নাট্যমন্দির কেঁদেছে তালকাটা গানে
সারেগা ,,, রেগামা,,,,, গা,,
ধুলিঝড় বয়ে যায়
করুনার উপহাস চৈত্ররথে।”

যে সুন্দরী মেয়েটা তানপুরা বাজাতেন, নটবরকে দেখে তার তাল কেটে যায়। রাজা তখুন বন্ধু কে খুশি ও তার কত ক্ষমতা তা দেখাতে বাঘের মত গর্জন করতে থাকে। পাইক পেয়াদাদের তখুন কণঠো শুকিয়ে যায়।এটাকে
নিচুজাতের কাজ বলে উপহাস করেন।

প্রেরিকা তাহার মাল্যবদল পথভুলো শস্মানে,
রাজবাড়ির কাপছে দনুজা দন্তক নরেবড়ে
সকলে তাহার পদধূলি লয়ে
আপদধর্ম করিছে প্রনাম বারেবারে।””

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজকর্মচারী বৃন্দ
রাজার সামনে আসেন। এবং একে একে সকলেই প্রনাম করে। পুরোহিত ঘোষনা করেন যে, শ্রাস্র মোতাবেক রাজবীধি ভংগের দায়ে মা কালীর সামনে সূর্যোদয়ের আগে বলি চরাতে হবে।

জোৎস্নারেখা বহিছে তখুন
সর্গলোকে হরে হরে রাম রাম
কেঁদেছে বুকফাটা আর্তচিৎকারে তবে।
মানবেণদ্র, ইন্দ্রাণী যে যার ঘরে
রাজশ্রী বলির পীঠে চড়ে্ছে উষার আগে।””

নিয়ম মোতাবেক সূর্যদয়ের আগেই বলিতে চরালেন কিছু পরিবার ঘর খেকে বের হতে সাহস পেল না তবে তারা ভগবান কে ডাকতে লাগল।

ধূলোয় লুটিছে প্রাসাদ কদিন পরে
আজানের ধ্বনিত রাগ,,
মুয়াজ্জিন সহস্র লোকের ইমামতি করে। “”

এই ঘটনা রাজ্যের বাইরে আগাত হানলো।
মুসলিম ধর্মাবলম্বী রা তখুন ব্যাপারটা অবগত হলেন।
ইসলামের তখুন জয়জয়কার,, লোকজন পেয়ে গেল নতুন একটা পথ।
দলে দলে লোকজন ইসলাম গ্রহণ করে
রাজবাড়ির একটা যায়গা রুপান্তরিত হলো মসজিদ।