“করতোয়া” কবিতাটির বিশ্লেষন

” করতোয়া!
।সেই কবে এসেছিলে একদিন
নিলিমার ঐ দু’চোখ ভরে
দেখেছে কে বা কারা ।”

করতোয়া বাংলাদেশের একটি খরস্রোতা নদী। এই নদীর একটি মোহনার কথা বর্ননা করা হয়েছে। যেখানে পরবর্তিতে পুরোনো একটি গ্রাম রুপান্তরিত হইয়াছে। কিন্তু ইহা নদী ছিল তাহা ধারনা দেবার মত কেহ জীবত নাই। শুধুমাত্র অনুমান করা যেতে পারে।

“তোবু ও শুনিলাম,
এই যে অশথ বহুপায়ে দাড়িয়ে
নিরিবিলি তোমাকে
সোনালী আগুনের ঢেউ, দুর নক্ষত্র
এ পথে আসবে কি কোন দিন”

এই গ্রামের বাঁকেই কালের সাক্ষী হয়ে বেচে আছে একটি বটবৃক্ষ। এবং তার অদুরে নিম্নাঞ্চলে যে সোনা ফসল জন্মে দিন দুপুরে বটবৃক্ষের নিচে কেহ ববসিল তাহা দেখিবার মতন দৃশ্য দেখা যায়।এবং রাত্রী বেলাও নক্ষত্রের আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে উঠে এই স্থানটি।

“আষাঢ়ের বৃষ্টি ছোয়া,
হালকা বেগুনী রঃ
নীলাভ পৃথিবী, ছোট্র একটা মন
নিরিবিলি কথা,
খোপায় তারাফুলের গন্ধ নিয়ে
বৃষ্টি বারে এসো!”

এখানে কপোত ও কপোতীর কথা বলা হয়েছে। কপোত এর ইচ্ছের বহিপ্রকাশ, কপোতি যেন বৃষ্টি দিনে সেজে গুজে চলিয়া আসে। কারন তাহারা দুইজনে একদিন এখানে মিলন বাসর রচনা করিবার অভিপ্রায় হইয়াছিল।

“এসো হে করতোয়া!
ভোতা মাটির মতোন, কখুনো বা
ডুমাপড়া কিশোরীর হাঁসির মতোন
শুধুই একটি কচি ধানের শীষ”

কপোতী আর কখুনো ফিরবে না। কারন করতোয়া চিরতরে চলিয়া গিয়াছে পরঘরে। বিধাতার কাছে তাহার পার্থনা তিনি যদি ফিরিয়া আসেন তবে তাহা যেন আইভী হয়।

“করতোয়া!
ফিরে এসো
নিলিমার ঐ দু’চোখ ভরে দেখে যাও
করতোয়া ফিরে আসো!”

কপোত একবার এরকম ভাবে যে করতোয়া নদী আবার ফিরে আসুক। সেই সাথে করতোয়াও, কারন তাহার ভালবাসার মানুষটি কেমন আছে তাহা তিনি দেখাইতেও চাহেন।
কিন্তু তিনি নিজে জানেন, দুটোর কোনটাই সম্ভব না। তাইতো কেবল মাত্র অার্তনাদই প্রকাশ পায়