আমি এখুন উত্তরবঙ্গের রানী ভবানীর শহর, নাটোর শহরে অবস্থান করছি। এখানে আসার পূর্বেইএক গাঁজাখোরের সাথে পরিচিত হয়েছি। আমার এখানে আসার প্রধান উদ্দেশ্য হলো,, কারা গাঁজার মতো মাদক পুরো শহরে সাপ্লাই করে তাদের একনজর দেখা। এবং তারা কিভাবে তাহা করে এটা নিজ চোখে দেখার জন্য।
পাঠক, শনিবার বিকেল পাঁচটায় নাটের হরিশপুর বাইপাস দাড়াতেই সেই গাঁন্জাখোর পাশে এসে দাড়ালো। আমি তখুনো জানতাম না, তিনি কি কাজ করেন।
পরে চা খেতে খেতে জানলাম, তিনি একজন অটো ড্রাইবার। এই পুরো শহরটাতে তিনি অটোগাড়ী চালিয়ে থাকেন।
কথা বলতে বলতে সন্ধে ঘনিয়ে গেল। এরপর ঐ ছেলেটা আমাকে চায়ের দোকানে বসিয়ে রেখে,, আপন মনে কারাম খেলতে লাগলো।
এর ঠিক দশ মিনিট পর, দুটো ছেলে আমার দিকে এগিয়ে আসলেন। তাঁর একজন কারোসহিত ফোনে কথা বলতেছিল,,হঠাৎ ফোনটা অামার হাতে ধরিয়ে দিয়েই বললঃ ডিবি পুলিশের সাথে কথা বলুন। আমার তখুন বামহাতে চায়ের কাপ, ডান হাতে মোবাইল নিয়েই হাসতে শুরু করে দেই। চায়ের দোকানে ততখখুনে অনেক লোকজন ভীর জমিয়েছে। হ্যালো বলতেই ওপাশ থেকে আমার ঠিকানা জানতে চাইলো,, আমি ঠিকানা বলার পর
এবার রেগে গিয়ে বলে উঠলাম, কেন পাবলিককে হেনস্তা করছেন,আমি এখানে বসে আছি, পারলে আপনি ফোর্স নিয়ে আসুন।এর পর ওপাশ থেকে ফোনটা রেখে দিলো। এরপর আমার হাত থেকে ফোনটা নিয়ে দ্রুত সটকে পড়তে লাগলো ছেলে দুটো। কিন্তু আমি কিছুতেই তাদের ছেড়ে দিতে চাইছিলাম না। শেষে দৌড়ে পালালো দুটো ছেলেই।

Advertisements