তাবলীগ জামায়ত কে নিয়ে কলম ধরতে মন সায় দেয় না। কারন,এর পেছনের গল্পটা একসময় ধর্মভীরুদের ছিল কিন্তু এখুন রাজনৈতিক রোষানলে তা হয়ে গেছে
আহলে হাদিসের প্রান কেন্দ্র। দ্বিধাবিভক্তি হয়ে গেছে বিবদমান দুটো গ্রুপিং। এর এক পক্ষে আছেন স্বা’দকালম্ভী( ভারত)এবং অপর পক্ষের কলকাঠি নাড়ছে সরকারের মদদে শফি হুজুর (বাংলাদেশ)
এবং এর বাইরে যে পক্ষ আছে সেটা পাকিস্তানি।
গত মওসুমে (পাক+ বাংলা) মিলে আয়োজন করা হয় ইজতেমার। এবং তখুন থেকেই তাবলীগে হানাহানিতে রুপ নেয়( শফি+কালম্বী গ্রুপ)। সেই থেকে শুরু হয় বাংলাদেশে আহলে হাদিস কে জোরেসোরে প্রচারনা।
পাঠক, এদেশে শিয়া শুন্নি কখুনো মারামারিতে জরাবে না এবং সে কারনেই খুব সুক্ষ কৌসলে তাবলীগে দুটো গ্রুপিং করে দেয়া হয়েছে যাহাতে হানাহানিতে লিপ্ত থাকে এরা সবসময়।
আমি এই নিবন্ধে প্রথমেই লিখেছি, তাবলীগ নিয়ে লিখতে ইচ্ছে হয় না এবং তাহা এই কারনেই।
পাঠক আমার মতে, তাবলীগ জামায়াত এদেশে চিরতরে বন্ধ করা উচিত। আর যদি এটাকে জোরেসোরে আগাতে দেয়া হয় তবে, বাংলাদেশে খুব বেশিদিন সময় লাগবে না পাকিস্তানীদের মতন হতে। এবং অচিরেই দেখবেন বিশ্বে সন্ত্রাসী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ খেতাবে ভুসিত হবে।
ফিরে দেখা ব্লগ থেকে, আগামিতে নতুন সরকারের কাছে আশা করব, আপনারা এটা হয় চিরতরে বন্ধ, না হয় দুটো পক্ষকে এককাতারে দাড় করাবেন।
রুদ্র ম আল-আমিন