সিরাজগঞ্জে বি এন পির রাজনীতি অনেকটা টুকু কেন্দ্রিক। কিন্ত ২০০১ সালে, হঠাৎ মন্জুর কাদেরের আগমন ঘটে ০৫ আসনে। এবং এই জেলার পাঁচজন নেতার মধ্যে তিনিও একজন হয়ে যান সে সময।
টুকু এবং মন্জুর এই দুইজনের মধ্যে দন্ধটা আসলে শুরু হয় তখুনই। কিন্তু টুকু সাহেবের কিছুই করার থাকেনা সে সময়। কারন পুরো জেলার প্রতিটি উপজেলার বি এন পির কমিটিতে মন্জুরের একটা লম্বা হাত কাজ করতে থাকে। এবং এর ফলে, প্রবীণ নেতারাও দলে পুনরায় ভিরতে শুরু করেন। কিন্তু এত কিছুর পরও রাতের আধারে জেলা কমিটি গঠিত হয়, আর সেখানেইঅবশেষে টুকু সাহেব রাজনীতির প্রান ফিরে পায়।এরপর মন্জুর কাদের হয়ে উঠেন টুকুর চোখের কাঁটা। ওয়ান ইলেভেনের পর আবারো নমিনেশন পেয়ে যান মন্জুর, কারন তিনি জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছেন এ অন্চলের জনগনের মাঝে। মাত্র ছয় দিন নির্বাচন করার সুযোগ পেয়ে পুরো জেলায় তাক লাগিয়ে দেন সবাই কে। এবং এর পরই শুরু হয় এই জেলা থেকে তাকে বিতারিত করার ষড়যন্ত্র যা এখনো বিদ্যমান আছে।
কিন্তু যত কিছুই পূর্বে ঘটে থাকুক না কেন,
১৮ র নির্বাচনে মন্জুর কাদের এর মনোনয়ন আটকানো সম্ভব না। কারন দলে তাঁর একটা ভাল অবস্থান আছে সেদিক থেকে ধানের শীষ তিনিই পেয়ে যাবেন। একে আটকাতে পারে একমাত্র মহামান্য হাইকোর্ট, কারন তিনি খেলাপি ঋনে জরিয়ে আছেন। হয়তো সে কারনেই তাঁর নামটি কেন্দ্রিয়ভাবে বি এন পি গোপন রেখেছেন। যেন তাঁকে নিয়ে সমালোচনা কম হয় আওয়ামিশিবিরে।
পাঠক, একটু ধৈর্য ধরুন দেখবেন সিরাজগঞ্জ ০৫ আসনে তিনিই ধানের শীষের কান্ডারি হবেন।

ফিরে দেখা ব্রগ থেকে আমি,,
রুদ্র ম আল-আমিন

Advertisements