মাজম মিয়া, কেউ বলে পাকড়া মাজম,কেউবা বলে মাজম পোড়া। পাঠক,
অদ্ভুত এই নামটি কিভাবে হলো হয়তো ভাবছেন। ঘটনাটি জন্ম সিরাজগঞ্জ এর এনায়েতপুর থানায়। ৭১ সালে রনাংগনের বিরুদ্ধচারন করেছিল এই লোকটি। তখুনকার সময় পাকমিলিটারিদের শুধু সহায়তাই করেননি তিনি, শোনা যায় তারই নেতৃত্বে পাক মিলিটারি পুড়িয়ে দিয়েছিল খামারগ্রাম নামক স্থানে “বসন্ত বাড়ি”। মুক্তিযুদ্ধ শেষে এই লোকটিকে মু্ক্তিযোদ্ধারা পিছমোড়া করে বেধে বেধরক মারধর করেন বেতিল বাজার নামক স্থানে। তাঁর সারা শরীর বিড়ি ও সিগারেটের আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ক্ষত বিক্ষত করা হয়। যাহা তাহারে শরীরে এখুনো দাগ লেগে আছে। এরপর মাজম মিয়ার নাম হয়, পাকড়া মাজম।
পাঠক আপনি ভাবছেন একথা কেন বলছি? আপনি না হেসে পারবেন না। কারন
এই ব্যাক্তি এখুন বাংলাদেশের একজন বীর মু্ক্তিযোদ্ধা। অথচ এদের নামে আজ কোন ক্লেম নাই।
হা-হা-হ-হ,, ,,,
রুদ্র ম আল-আমিন
এম এস এস (রাষ্ট্রবিজ্ঞান)