রুদ্র ম আল-আমিন এর ছোটগল্প
(পর্ব-০৪)
“আর্থার বেন”

জ্যাক বেন পুরো আমেরিকার ক্যাথলিকদের এক কাতারে দাড় করিয়ে ফেলেন। ইউরোপেও জ্যাক বেন তাঁর স্ত্রী ইংল্যান্ডের রানী দ্বারা একই কাজ করতে থাকেন। পুরো দুনিয়া জ্যাক বেন এর হাতের মুঠে না এলেও ইউরোপ আমেরিকার কে কো-রাষ্ট্র বানিয়ে ফেলেন।। আর ঠিক সেই সময় এশিয়ার শক্তিধর দেশগুলোর কাছে মাথাব্যথার কারন হয়ে দাড়ায় জ্যাক বেন। কিন্তু দক্ষিণ এশিয়ার বাংলাদেশসহ গুটি কয়েক দেশ জ্যাক বেন এর সমর্থন জোগাতে সচেষ্ট হন।
কারন জ্যাক বেন ছোটবেলায় এখানেই তিনি মানুষ হয়েছেন।
জ্যাকের দুই জমজ পুত্র বেড়ে উঠতে থাকে এর মধ্যে । জ্যাক আইনের সংশোধন আনেন দ্রুত। ইউরোপ ও আমেরিকান ক্যাথলিকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেন সারা দুনিয়া।
তিনি প্রচলিত রাষ্ট্র ব্যাবস্থা ভেংগে হয়ে যান একনায়কতন্ত্রের ভুমিকায়। সেমিনার করতে থাকেন একের পর এক। ক্যাথলিকদের দাপটে পালাতে থাকেন ভিন্ন মতালম্বীরা। এরা খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যেই নিজ দেশ ছেড়ে উল্টো পাড়ি জমান এশিয়ার দিকে। কারন ওখান কার জ্ীবন যাত্রার মানের তুলনায় এখানে একটু কম হলেও তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করতে থাকেন। এই সৈরনীতি চলতে থাকে বছরের পর বছর।
এশিয়ার ক্ষমতার প্রতাপশালী দেশগুলো ভাবতে লাগল যে, জ্যাক হয়তো বা এশিয়া তার করতলগত করতে চাইছে। আর এর জন্য এরা নিজেদের রা্ষ্ট ব্যাবস্থাকে শক্তিশালী করবার জন্য মরণাশ্স্রের খেলা্য় মেতে উঠতে লাগলেন।ছোট খাটো বিষয়ের মীমাংসা তারা সাধারন মনে না করে সব কিছুতেই গন্ধ খুজতে লাগলেন।সেই সাথে জ্যাকও হাতে নিলেন বড় একটি প্লান আর তাহা হইল, ভীতুকে আরো ভয় দেখানো। তর্জনগর্জনে ভরে দিলেন পুরো দুনিয়া।
জ্যাক বেন এর দুই পুত্রের একপুত্র আর্থার বেন খ্রমনে আসলেন বাংলাদেশে। তাঁর বয়স তখুন বাইশ ছুইছুই। এদেশের মানু্ষ আর্থার কে মেনে নিলেন খুব সহজেই। তাঁকে মাল্যবরণ করে রাজকীয় মর্যাদাও দেয়া হইল। কিন্তু এই দেশটি জানতে পারল না, কেন এই আগমনের হেতু?
এর পর তিনি এখান থেকেই পাড়ি জমালেন জর্জ ওয়াশিংটন ডিসির দিকে। হোয়াইট হাউজে মাত্র দশমিনিট সময় দিয়েই ফিরে এলেন লন্ডনে। ইংলিশরা তখুনো ভাবতে পারেনি, কি কাজ করবার জন্য দৌড়ঝাঁপ করছে আর্থার বেন।
কিন্তু পরদিন যখন রাজসভা ডেকে, রানীর চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন তখুন সারা পৃথিবীতে আরো একবার হৈচৈ পরে গেল আর্থার বেন কে নিয়ে।
(চলবে)
নোটবুক,, আর্থার বেন গল্পটি আগামিকাল শেষ পর্ব প্রচারিত হবে, কিন্তু পাঠকদের কাছে অনুরোধ এই কাল্পনিক ঘটনার জন্য আমার বিরুদ্ধে ফুসে উঠবেন না, কারন আমার মুক্ত মনের এই গল্প বাস্তবে ঘটা অসম্ভব।

লেখক ও ব্লগার,,, রুদ্র ম আল-আমিন