বিপদে পড়েছে এই অঞ্চলের সাধারন জনগণ তথা গণতন্ত্রমনা ব্লগার, লেখক,নাগরিক সমাজের একাংশ।দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলোর রাষ্ট্রক্ষমতা এককেন্দ্রিক হয়ে গেছে। পশ্চিমাদেশগুলোও এখুন আর এসব বিষয় নিয়ে তেমন একটা মাথাঘামায় না বললেই চলে।
বিপদে পড়েছে এই অঞ্চলের সাধারন জনগণ তথা গণতন্ত্রমনা ব্লগার, লেখক,নাগরিক সমাজের একাংশ।
বাংলাদেশেও গত একযুগের বেশি সময় অতিবাহিত হতে চলছে তারই ধারাবাহিকতায়। এদেশের মুক্তচিন্তার মানুষেরা কোন উপায় অন্তর না পেয়ে, ভাগ্য সপে দিয়েছে আল্লাহ,ভগমান, অথবা ইশ্বরের উপর।সাধারন মানুষেব হাসি ফিকে হয়ে গেছে। তবু জীবনের মায়া না করে কলম ধরছেন বেশ কিছু যোদ্ধা। আর এর ফলে হরহামেশাই নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন প্রতিনিয়ত অনেকেই।
পাঠক,
আপনিও ভাবতে পারেন এই এককেন্দ্রিক হলো কেন দেশগুলোর নেতারা। এশিয়ার তিন পরাক্রমশালী দেশ, ভারত, চিন ও রাশিয়া মোটামুটি প্রায় এশিয়ার সবগুলো দেশের ইজারা নিয়ে ফেলেছেন। এর ফলে ঐসব দেশের নেতারা নিজেকে মহারাজা মনে করে জনগণের বাকশ্বাধীনতাও কেড়ে নিতেও কুন্ঠাবোধ করিতেছে না। এমতাবস্থায় সরকার প্রধাণরা সৈরাচারবণে গেলেও যেন দেখার কেউ নাই।বাংলাদেশের কথা যদি ধরেন, তবে পশ্চিমাপন্থি BNP সহ সমমনা দলগুলোর দিকে তাকালে আপনাকে আর বোঝাতে হবে না হয়তো,। কিম্বা নওয়াজ শরীফ,অংসান সুচি, খালেদা জিয়া, এদের মুখের দিকে তাকালে আপনি স্পস্ট দেখতে পাবেন এদের কেন ক্ষমতা নাই।
সেই সাথে ভুলে যেতে বসেছে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্কিত মানুষের মনমানুষীকতার। পাঠক,কত বছর লাগবে এখান থেকে কেরুতে ভাবতে পারছেন কি?অনুমান করতে থাকুন আপনিও।
রুদ্র ম আল-আমিন

Advertisements