রুদ্র ম আল-আমিন এর উপন্যাস
(পর্ব-৭৩)
“একজন মুক্তিযোদ্ধা”

রমা বারান্দায় দাড়িয়ে বদরের রুমের দিকে একদৃষ্টিতে তাঁকিয়ে রয়েছে।
রমাদির মা বলে ঊঠল,,
ঃরমা কি করস ওখানে?
রমা কোন প্রতুত্তর না করায় দিতীয়ববার আবার বলল
ঃরমা রাইত অনেক হইছে, আয় ঘরে আয়, কি ভাবতাছস?
রমার মুখ থেকে সেবারও কোন কথা বেরুল না।
রমাদি তখুনো বারান্দাযুক্ত খামধরে দাড়িয়ে ছিল, রমাদির মা বারান্দা গিয়ে রমার গায়ে পিছন থেকে কাঁদে হাত রাখল,
আর ঠিক তখুনি রমা পিছন দিকে রমার মায়ের শরীরে উপর ভারসাম্যহীন ভাবে পরে যেতে লাগল, রমার মা রমাদিকে ধরে রাখতে পারল না। শেষমেষ মাটিতে পরে গেল। রমার মা,,
রমা -রমা – রমা বলে চিৎকার দিয়ে উঠল। রমাদির মায়ের চিৎকার শুনেই বদর বিছানা থেকে লাফিয়ে কোনরকমভাবে দরজা খুলেই দৌড়ে বারান্দাযুক্ত হইল।বদর দেখল রমা মাটি প’রে আছে
কিন্ত মুখ দিয়ে শুধু গেংগানো শব্দ পাওয়া যাইতেছে।
আর তখুনি রমাদির মা ও বদর দুজনে মিলে নিয়ে গেল ঘরের খাটিয়াতে। মা জল ছিটিয়ে দিয়ে রমাকে ধরে কয়েকবার ঝাকি দিলেন।
রমার গোংগানো থেমে গেলেও বোঝা যাচ্চিল যে, তাঁর মধ্যে কোন হুশ নেই।
অতঃপর বদর
তাঁর দুগালে ডান হাতটি স্পর্শ করে রমাকে
রমা রমা করে ডাকতে লাগল,
রমা চোখ মেলে তাঁকাতেই বদর নিজের ঠোটখানি কামরে ধরল,
রমাদি এক দৃষ্টিতে বদরের দিকে তাঁকিয়ে রইল।
রমাদির মা তখুন মাথায় হাত বোলাইতে লাগলেন। বদর যখন দেখল যে, রমাদি মোটামুটি এখুন ঠিক আছে আর অসুবিধে নেই তখুন,,
বদর রুমে ফিরতে চাইল, কিন্ত রমাদির মা বদরকে তখুনও যেতে দিল না।
রমাদির পড়ার টেবিল থেকে চেয়ার খানি টেনে রমাদির মাথার শিয়রে বসে রইল।
রাত যখন প্রায় শেষ হয়ে এলো তখুন রমাদি বিছানা ছেড়ে উঠতে চাইল, রমার মা বদরকে বলল তাঁকে বাহিরে নিয়ে যেতে। বদর কোন কথা না বলে

রমার হাতখানি ধরে টেনে তুলল,
খাটিয়া থেকে নেমে বদরের কাঁদে হাত রাখল। এর পর বদর রমাদিকে নিয়ে চলল ্উঠোনের দিকে। রমার মা সারারাত জাগার ফলে বিছানায় চোখ বন্ধ করে ঝিমাইতে ছিল।
রমা বদরকে নিয়ে চলল ইন্দিরার দিকে। কারন রমার তখুন প্রসাবের প্রচুর বেগ পাইতেছিল।
বদর তাহা বুঝতে পেরে ইন্দিরার কাছাকাছি যেতেই রমাকে বলল,
ঃ রমা আমি উঠোনে দাড়াই
রমাদি বলল,,
ঃ না তুমি এখানেই থাকো
ঃ আমি থাকব হু হু হু
ঃ না তুমি যাবে না
ঃ কি বলছো এসব তোমার মাথা ঠিক আছে?
রমাদি এর পর শূধু বলল যে,
ঃএক পা নড়বে না,, চুপচাপ দাড়িয়ে থাকো।
(চলবে)