রুদ্র ম আল-আমিন এর উপন্যাস
(পর্ব-৬৬)
“একজন মুক্তিযোদ্ধা”

পাঠকগণ,
আমরা নারায়ন ঠাকুরকে নিশ্চয় মনে রেখেছি।তিনি লোক মারফত খবর পেয়েে, রমাদের বাড়িতে সে রাত্রেই খকরটা পৌছে দেন।
খবরটি শুনেই রমাদি কান্নায় ভেংগে পড়েন। তাঁর কান্নায় গ্রামের লোকজনে ভরে যায় বাড়িটি। এই গোড়া হিন্দু সমাজের লোকজন কেউ আহ্ আহ্ করতে থাকেন
অনেকেই রমাদির মাকে জিজ্ঞেস করছিলেন। বদর কেমন আছে তাহা জানা গেছে কিনা। কিন্তু রমাদির মা এর কোন সদুত্তর দিতে পারলেন না।
এক সময় যে যার মত বাড়ি চলে গেল। কিন্ত রমার বান্ধবী বীথি হাউ মাউ করে না কাঁদলেও রমার পাশে বসে রইল।
সে সময় বীথির চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়তেও দে্খা গেল।
রমাদি, বীথি, ও বীথির মা সহ এই চারজন মেয়ে মানুষ বাড়ির উঠোনে বসে সারা রাত জেগে রইল।
পরেরদিন সোমবার স্থানীয় যুগনী হাটে লোকজন আসতে লাগল।
রমাদি বাড়ির বাহিরে স্কুলটির সামনের রাস্তায় দাড়িয়ে রইল পরিচিত কোন লোকের খোজে। যাহাতে সে জানিতে পারে বদরদা দের বাড়ির লোকজন এখুন কেমন আছে?
কিন্ত কোনভাবেই তাহা জানা গেল না, শেষমেষ হাটতে হাটতে রওনা হল হাটের দিকে। হাটে গিয়ে দেখলেন লোকজন প্রায় সকলেই তাহা বলাবলি করিতেছেন। বিস্তারিত শুনে দ্রত বাড়ি ফিরলেন। তারপর মাকে বললেন
ঃ মা তারাতারি চলো, বদরদা এর মায়ের অবস্থা ভাল না। তাঁর সারা গতর (শরীর)আগুনে পুড়ে গেছে।
এর পর স্নান সেরে তারা মা ও মেয়ে রওনা হলেন বদদের বাড়ির উদ্দেশ্যে।
দুপুরের একটু পুর্বে তারা বদর দের বাড়ি পৌছেলেন।
কিন্ত ততক্ষণএ তাদের বাড়িতে সজনে ভরে গেছে।
বদর বাড়িতে না থাকায় রমাদি তাঁর মাকে কেহ চিনিতে পারিল না।এবং
উপস্থিত লোকজন এই অপরুপ সুন্দরী মেয়েটাকে দেখে অনেকেই হা করে মা মেয়েকে দেখতেছিল। অবশেষে একজন বয়স্ক ব্যাক্তি বলিল,,,,
ঃকারে –খুজতাছেন?
রমা বলিল, ঃ বদর দা—
(চলবে)