তসলিমা নাসরিনের লেখা লজ্জা বইটি বাংলাদেশে অনেক আগেই নিষিদ্ধ হয়ে গেছে।
পাঠক, আপনারা কি জানেন কি লিখেছিলেন তিনি বইটিতে ?
১৯৯২ সালের ৬ই ডিসেম্বর, ভারতের উত্তর প্রদেশেরঅযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংস করার খবরে প্রভাব পড়ে পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশে। দাঙ্গার প্রভাবে দত্ত পরিবার এলাকাবাসীর ঘৃণার পাত্রে পরিণত হয়।
সুধোময়ের বিশ্বাস, মায়ের মত করে বাংলাদেশও তাকে রক্ষা করবে। কিরণমায়া একজন বিশ্বস্ত স্ত্রীর মতো পতিদেবের আদর্শকেই মানে। তাদের ছেলে সুরঞ্জন মনে করে, জাতীয়তাবাদ সম্প্রদায়প্রীতির চেয়েও শক্তিশালী। অবশ্য তার হতাশ হতে সময় লাগে না। সে আবিষ্কার করে সাম্প্রদায়িকতা তার জানা দেশপ্রেমের সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। নীলাঞ্জনা তার দাদার এরূব ভাবলেশহীনতাকে অবজ্ঞা করে এবং পরিবারের নিরাপত্তার জন্য ভাইকে কোন মুসলমান বন্ধুর বাসায় ওঠার কথা বলতে থাকে।
মৌলবাদীদের তোপের মুখে একসময় দেশছাড়তে বাধ্য হন তাসলিমা। মৌলবাদীগণ তুলে ধরেন তার শেষ ডায়লগ “তুই মুসলমান কিনা”? উত্তর হ্যা হওয়ার পরই, তার কামবাসনা চরিতার্থ করে।
লজ্জা মুলত একটি রুপান্তরিত হওয়ার গল্প। একটি সর্বনাশা ঘটনার প্রভাবে মোহমুক্তি ঘটে ধ্বংসপ্রবণ হয়ে উঠার গল্প।
রুদ্র ম আল-আমিন