২০১৩ সালে এই নেতা রাজনীতির মাঠ থেকে তখুন অনেকদুরে। বলা যায়,ঘর থেকে বের করার মতন তারপাশে আর কেউ নেই।
এনায়েতপুর থানা ছাত্রদলের কমিটিকে কেন্দ্র করে রাতের অাধারে কথা চলতে থাকে আমার সাথে। এক প্রতিবন্ধী ছাত্রনেতাকে সাথে নিয়ে এগুতে থাকি সামনের দিকে, এর মধ্যেই যুবদলের কমিটিকে কেন্দ্র করে ঘর থেকে টেনে রাজনীতির ময়দানে নামিয়ে ফেলি তাঁকে।
কমিটি টি হাতের মুঠোয় চলে আসে খুব দ্রুত। যে কমিটি এনায়েতপুর থানায় এ্রখুনো বিদ্যমান আছে।
পাঠক,
কথা বলছিলাম ছাত্রদলের প্রসংগে,
আমি তখুন এনায়েতপুর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হতে চাই কিন্ত ততক্ষনে রাজনীতির মাঠ গরম হয়ে যায় আরো। আর সে কারনেই দলের অন্য একটা গ্রুপ থেকে মামলা করা হয় আমার নামে।
এই নেতা যার ছবিটি উপরে দেখছেন, তিনি তখুন ভীতু হয়ে যান মামলাটি দেখেই।
এরপর আমাকে বলা হয়, প্রতিবন্ধী ছেলেটিকে আহ্বায়ক করে তুমি সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হও।
রাজনীতির মাঠ থেকে চোখের জল মুছে তাকে বললাম, আপনি ক্খুনোই বড় নেতা হতে পারবেন না কারন আপনার সাহস নেই, সেই সাথে ভুলে গেছেন আমি আপনাকে ঘর থেকে বের করেছি । আমার ইচ্ছা ছিলো তাঁকে এই থানায় একদিন সবাইকে নিয়েই সভাপতি বানাবো।
ইচ্ছা টিকে গলাটিপে হত্যা করলাম কারন, ততক্ষনে নিজেকে অনেক বড় নেতা মনে করেছেন তিনি।
এর পর সেই প্রতিবন্ধী ছেলেটিই হলেন আহ্বায়ক,,,
আর এর সাথে সাথে থানাছাত্রদলের কমিটিও হয়ে গেল প্রতিবন্ধী।
পাঠক, ভাবছেন এর পর কি?
পুর্নাঙগ কমিটি কোনদিনও করতে পারবে না এরা। কারন,
রাজনীতির সম্যাক জ্ঞান এই নেতার মধ্যে নেই। আগামিতেও এই নেতা আর কিছুই হতে পারবে না ইনশাআল্লাহ্‌।
ফিরে দেখা ব্লগ থেকে
রুদ্র ম আল-আমিন