ইসলামে মেয়েদের বিয়ের পরিবর্তে বিক্রি করা হচছে,,,,,
পাঠক,
আমার কথা বলার ধরন শুনে বিচলিত হবেন না। কারন আজই প্রথম দেখলাম, এরকম একটি বিচিত্র ঘটনা।

আজ ১৮ই জুন ২০১৮, আমার পাশের বাড়ি একটি বিবাহ অনুষ্ঠিত হলো।
আর সেই বিয়েতে পিতা তাঁর কন্যাকে বিক্রি করলেন ছেলের (বর) হাতে।

আমরা জানি, ইসলামে কোন মেয়ে সাবালিকা হওয়ার পূর্বেই তাঁকে হিজাব ও কালো কাপড়ে মুখ ঢেকে রাখার প্রচলন বিদ্যমান। যুগ যুগ ধরে তাহা সকলেই মেনে চলছি। যদিও দু একজন এই সব বিষয় নিয়ে আড়ালে আবডালে বিতর্ক করে থাকেন। এবং আজকাল অনেক ব্লগারররা এটার ঘোর বিরোধীতাও করেন। আর এর ফলে অনেককে বলতেও শুনি তারা নাস্তিক।
এবার আসল কথা বলছি, দেখুন,কিভাবে মেয়েদের বিক্রি করার কৌসল হচছে।

নিয়ম মতো আমার মা বাবা থেকে শুরু করে দাদা দাদি, বোন ও আমি নিজেও বিয়ের সময় মালাবদল/আংটি পরিয়ে বাগদান সম্পন্ন করে তিনবার কবুল বলার পূর্বে স্ত্রী ও স্বামী উভয়েই রাজি হয়েছি।

কিন্ত আজ দেখলাম, মেয়েটি নিয়মমত, কবুল বলে তিনি স্বামীকে সীকার করার পর,
ছেলের বিয়ে পড়ানোর ক্ষেত্রে, মেয়ের বাবাকে দিয়ে বলানো হলো। আমি অমুক
আমার মেয়েকে তোমার সাথে বিবাহ দিলাম বলুন কবুল,,
ছেলেটারর কবুল বলার পর মোনাজাত ধরা হলো।
মৌলভী সাহেব বললেন তিনবারের প্রচলন
নাই,একবার কবুল বললেই হবে। আচছা সেটা না হয় সবাই মানলাম।
পাঠক,
আপনাদের কাছে প্রস্ন রইল ছেলেকে (বর) কেন বলানো হলো না, অমুকের কন্যাকে আমি সজ্ঞানএ
স্ত্রী হিসাবে গ্রহন করলাম।

উলটো মেয়ের বাবাকে কেন বলানো হলো, আমি তোমাকে আমার মেয়ে বিয়ে দিলাম বলো কবুল,,
তবে কি বিক্রি করা হলো আর খদ্দের তা ক্রয় করলেন?????

ফিরে দেখা ব্লগ থেকে আশা করব, আপনারা যারা মুসলিম আছেন, তারা কখুনোই মেয়েকে বিক্রি করবেন না কারন মেয়ে তারাও মানুষ কোন পশু প্রানী নয় যে মনিব তাকে ইচছে মত যার তার হাতে তুলে দেবেন।