পাঠক, আমরা কি ১৯ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে পুরোটাই বামপন্থি হয়ে যাব? নাকি রাবন কে বধ করার জন্য কেউ একজন অপেক্ষা করছে?

ওয়ন ইলেভেনের পর থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে, বি এন পি অনেকটা কোনঠাশা অবস্থায় রয়েছে।
সাবেক সৈরশাসক মইন উু ও ফখরুদ্দিন বি এন পি কে নিজের কব্জায় নিতে না পেরে দলটিকে চিরতরে শেষ করার জন্য হাত মেলায় সাবেক বামপন্থি রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাথে, তার অংশ হিসাবে ক্ষমতায় আসে আওয়ামিলীগ। দলটি জন্মগত ভাবেই বাংলাদেশে একটার পর একটা নাটকের জন্ম দিয়ে অনেকদুর অগ্রসরও হয়। এই দল সাধীনতার পর নাটকীয় ভাবেই মসনদে বসেন। আর এর পেছন থেকে কলকাঠি নাড়েন সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন / রাশিয়ার নীলনকশার বাস্তবায়ন করেন তৎকালিন ইন্দ্রিয়া গান্ধী।
তখুন কার সময় সাধারন লোকজন বুজতে পারেনি যে সমাজতন্ত্র চালু করার জন্যই
এতসব কানড ঘটে গেল।
গণতনত্র কে চিরতরে বিদায় দিয়ে মুজিব সাহেব তখুন প্রভুদের নকশা বাস্তবায়ন করতে থাকে।
ডানপন্থী দলগুলো তখুন অনেকটা দিশেহারা হয়ে যায়। গণতনত্র পন্থী কিছু দল চিরতরে হারিয়ে যায়। নতুন দেশ, পুরাতন নেতারা ধীরে ধীরে একজোট হতে থাকে ভিতরে ভিতরে। মুজিব সাহেব, এর মধ্যে মুজিববাদ মোটামুটি দাড় করিয়ে ফেলেন। গনতনত্র তখুন জাদুঘরে নির্বাসন করা হয়।
৭৫ এ দেশরক্ষাককারি সেনা অভ্যুথানের বিনিময়ে কিছুটা সেদিন প্রান ফিরে পায় গনতনত্র আর তারই ধারাবাহিকতায় ৯১ তে ক্ষমতা লাভ করে বি,এন পি নামক ডানপন্থী রাজনৈতিক দলটি।
পাঠক,
আজ ২০১৮ সাল, গনতনত্র মুজিব সাহেবর কন্যার হাত দিয়ে তাকে বিদায় দেয়া হয়েছে। কাগজে কলমে গনতনত্র ভেতরে বাম/সমাজতত্ত্ব। এখুন কি করার আছে এদেশের মানুষের, রাশিয়া চায়না,ভারত এরাই হলো সত্যিকারের বামধারা,,,
পাঠক, আমরা কি ১৯ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে পুরোটাই বামপন্থি হয়ে যাব? নাকি রাবন কে বধ করার জন্য কেউ একজন অপেক্ষা করছে?
ফিরে দেখা ব্লগ থেকে,,,

রুদ্র ম আল-আমিন
এম এস এস (রাষ্ট্রবিজ্ঞান)