রুদ্র ম আল-আমিন এর উপন্যাস
(পর্ব-৫১)
“একজন মুক্তিযোদ্ধা ”

বদর অনেকটা হতচকিত হয়ে যায়। বদর রমাদের বাড়িতে প্রায় বছর পাঁচেক হলো আছে।
রমার বড়দা বিপিন বদরকে ভাইয়ের মতই মনে করেে।। বিপিন অনেকদিন ধরেই ঢাকায় আছে
বদরের সাথে সেরকম কোন যোগাযোগ না থাকলেও বদর যথেষ্ট সম্মান করে। রমাকে বদর ভালবাসে কি না? রমার এ প্রশ্নের জবাব দেয়া যকোন লোকের পপক্ষে কঠিন বৈকি।
এ দিকে সূর্য পশ্চিম আকাশে অস্তনমিত।
রমার কথা এড়িয়ে গেল বদর,, বলল,
ঃ রমা তারাতারি চলো
টুনি তোমায় দেখলে খুব খুশি হবে।
জানো, বাড়ি আসলেই তোমার কথা জিজ্ঞেস করে।
তুমি দেখতে কেমন,, তুমি আমার সাথে কথা বলো কিনা।
আমার পরনের কাপড় কে কেচে দেয়।
খুব হাসি পাচছে জানো, হাজার টা প্রশ্ন মনের মধ্যে ও র ঘুরপাক খাবে। এই সে দিনের পুচকে মেয়ে।
এত কিছু বুঝতে শিখেছে বলার মতন না,,,
রমা ততক্ষণ বদরের হাত ছেড়ে পিছনে হাটতে ছিলো হঠাৎ ব্যাপারটি খেয়াল করতেই বদর দেখল, রমা মাথা নিচু করে হাটছে।
চারদিকে ততক্ষণ অন্ধকার ঢেকে গেছে। বদর রমার হাত ধরতে যেয়ে থতমত হয়ে গেল।
বদর আবার বলল,,
রমা চারদিকে শোয়ালের আনাগোনা আমার হাতধরে হাটতে পারো,,
এতক্ষণ পর রমা শুধু মুখে বলল হু। ক্থা না বারিয়ে জামার এক কোনা ধরে হেটে চলল।
এরপর বদর ও রমা চুপচাপ সামনের দিকে আগাতে লাগল।
বাড়ি পৌছানো পর্যন্ত আর কোন কথা হলো না। বাড়ির বাইরে থেকে বদর বলে ঊঠল,,,
এই টুনি দেখে যা কে এসেছে!
বাড়ির ভিতর থেকেই টুনি দাদার কনঠসর চিনতে পেরে বলল ,,
ঃমা দাদা আইছে,,,,
বদর ততক্ষনে উঠোনে দাড়িয়েই মা মা বলে ডাক ছাড়ল,
টুনি ও মা পাশে দাড়াতেই টুনি বলল
ঃ দাদা,, এইডা রমাদি,,,,
ঃ বেশ পাকা হয়েগেছিস না দেখেই চিনতে পারলি। বাবা কোথায় রে?
ঃ পুবেরপাড়া গেছে এই আসার সময় অইছে। এবার বদরের মা বলে উঠল,
তোরা হাতমূখ দুয়ে নে, রমাকে জিজ্ঞেস করল তোমার মায় কিবা আছে?
রমা বলল
মাসিমা মা ভাল আছে,,,
দুইদিন পর পরিক্ষা মা আপনাদের আর্শিবাদ নিতে আসতে বলল,,
ঃ ভালা করছো
বদরকে হাতমুখ দোওয়ার জন্য টুনি বদনায় পানি নিয়ে এলো।
এর মধ্যেই বদরের বাবা তাজমাতবর এসে হাজির হয়ে গেল। রমাকে দেখেই বলে উঠল,,
তোমার মায়রে নিয়া আইলই,,পারতা
দুদিন গরিবের বাড়ি থাইকা যাইত।
ঃ কাকা বাবু নমস্কার,,,,
ঠিক এমনি সময় বাড়ির বাইরে থেকে আইজজা (বদরের ডাকাত বন্ধু) ডাক ছাড়ল,,
বাজানে কি বাড়ি আছেন?
( চলবে)