রুদ্র ম আল-আমিন এর উপন্যাস
(পর্ব-৩৩)
“একজন মুক্তিযোদ্ধা ”

রমা প্যান্ট আর সার্ট বদরের হাতে দিয়ে তারাতারি স্নান সারতে বলল। বদর দেখল যে,রমা সত্যি দূর্গা হয়ে গেছে।
মহানবমীতে সারাদিন রমাকে নিয়ে পূজা মনডপে ঘুরে ফিররে পূজো দেখাতে লাগল।
কিনত একটা টিনএজ মেয়ের মনের গভীরে যে ভালবাসা লুকায়িত ছিলো তা বদরকে কে কোন ভাবেই বোঝাতে পারছিল না রমা।
সকাল বেলা বাড়ি থেকে রেরিয়েছে এই উঠতি বয়সের ছেলেমেয়ে দুটো সব্ধা গরিয়ে রাত গভীর থেকে গভীর তর হইতেছে। কিনতু রমার বাড়ি ফেরার কোন লক্ষ নেই।
বদর পীড়াপীড়ি করতে ছিলো
কিনতু রমা,, বদরের বথা কোন বর্নপাত করছে না।
এখন তারা বামন পাড়া পূজোয়, বাড়ি থেকে চার মাইল দুরে। এই গ্রাম থেকে বেরুনের একটাই রাস্তা পায়ে হেটে সোজা সয়া মাঝিপাড়ার দিকে সেখানেও বেশ জোরে সোরে পূজো চলছে। ব্রামন পাড়া মাঝি পাড়া তিনকিলো দুরে।
রাত্রি অনেক হয়ে গেল, বদর বুঝতে পারছিল না সে বাড়িতে কি বলবে। লোকজন সব ধুপতি হাতে
তখুন আলতী নিয়ে ব্যাস্ত। (এক প্রকার নৃত্য) অবশেষে বদর সিদ্দান্ত নিলো জোর করে হলেও রমাকে এখান থেকে নিয়ে যেতে হবে আর তাইতো,,
বদর,রমার হাতধরে টানাটানি করতেছিলো
একটা উঠতি বয়সী ছেলে বদরের হাত খামচে ধরে বলল,,

ঃনাম কি
ঃবদর
বদর নামটা শুনেই ছেলেটা চেচিয়ে ঊঠল
লোকজন আলতী বন্ধ করে মারতে এলো বদরকে।

রমা বদরকে জরিয়ে ধরে চিৎকার করে বলল ওকে তোমরা মেরো না।
পূজো কমিটি এগিয়ে এলো তাদের কে কোন কথা বলতে না দিয়েই রমা বলল,,
ঃ ও আমার বর,
রাত হয়েছে তাইতো,,,,,,,,
লোকজন তেমন কিছু আর বলল না, রমা
বদরের হাত ধরে বেরিয়ে সোজা সয়াপাড়ার দিকে হাটতে লাগল।পথে বদর রমাকে একটি কথাও বলল না।
মনে মনে ভাবতে লাগল রমা একি বলল লোকজন কে,

আমি ওর বর।

মনে মনে হাসতে ছিলো অন্ধকারএ হাসিটা রমার চোখে পরল না।
রমা সারাপখ বদরের সার্ট ধরে হাটছিলো।

প্রায় এক ঘনটা হাটার পর মাঝি বাড়ির কাছাকাছি পৌছতেই বদর দাড়িয়ে পড়ল,
ঃতুমি লোকজনকে বললে,,,আমি তোমার বর
ঃতোমাকে চিনতে পারেনি ওরা
ঃসেটা তো বুঝলাম কিনতু,,,,
ঃওরা তোমাকে মারতে এলো
ঃতাই বলে,,
ঃমুখ ফসকে বেরিয়ে গেছে
রমা বদরের আর কোন কথার জবাব দিল না। রমা বলল,,
ঃমাঝিবাড়ি চলো
ঃকেন
ঃরতন কাকার ওখানে।
একটু আগাতেই পখের ধারেই কালীমন্দির
মাঝিপাড়ার পূজো চলছে পথেই রতন কাকার সাথে দেখা হল,,
(চলবে)