রুদ্র ম আল-আমিন এর উপন্যাস,
(পর্ব-০৩)
“ধ্রুবতারা”

মানুষিক হাসপাতালের সামনে অনেক খোলা যাওগা বিদ্যমান।
কয়েকটা চা কফির দোকানও আছে। চা খাওয়ার কথা বলতেই রিজন একটা কফিসোপে দাড়াল।
কফি শেষ হওয়া আগেই প্রীতি বলল,,
ঃআমি কেন এখানে তোমাকে নিয়ে এলাম জানো?
ঃ না,,,,
ঃতিন বছর হলো এসেছি এই কলেজে
কোনদিনও হসপিটালের মধ্যে যাইনি,,
ঃচল,,
ঃনা বলছিলাম
ঃকি,,,?
ঃতুমি আমাকে সত্যি ভালবাস?
ঃতখুন তো তাই মনে হতো
ঃআজ?
ঃটিকিট কেটে নেই,,
ঃok
রিজন দুটো টিকিট পেল ভিতরে যারার। কিনতু দরজা পেরুতেই মহা সসস্যা দেখাদিল । গার্ড বাধা দিল ভিতরে যেতে দীচছে না
রিজন বুঝতে পারছে না কেন?
একজন ভদ্র লোক এগিয়ে এসে জানাল যে, টাকা না দিলে প্রবেশ করতে দেবে না।
লোকটা আরো জানাল যে সাথে কোন মেয়ে থাকলে পুলিশ থেকে শুরু করে সবাই এরকম আচরন করে। অগত্যা রিজন প্রীতির মুখের দিকে তাকাল,,
প্রীতি সাইট পাস খুলে দুশো টাকা বের করল, রিজন হতভমভ হয়ে বলল,,
ঃপ্রীতি???
ঃকোন কথা বলবে না।।
পুলিশের পাশে বসে থাকা লোকটা হাত বাড়াল,,, দুশো টাকা দেখেইপুলিশকে বলল,,,,
ঃএদের লোক আছে,এরা যাক,,
পুলিশের উপর ঘৃনা হচছিলো, কোন দদে শে বাস করি আমরা। টাকা পেলেই দরজা খোলে। আইন কোথায় অাছে। সবখানেই দুর্নিতি ভরা। রিজন মনে মনে কথা গুলো ভাবছে, প্রীতি দেখল যে রিজন অন্য মনসক,,,
ঃতুমি কিছু ভাবছো?
ঃতেমন কিছু না।
ঃআমাকে দেখাও পাগলরা কেমন আছে?
ঃহু
ঃসামনে গিয়ে বামে
ঃদাড়াও এখানে কেন এলে।
ঃ এমনি
ঃপাগল দেখতে।
ঃযদি এখানে আমি থাকতাম।
ঃwhat???,
ঃyou love me?
ঃi do not understand?
ঃনা বোঝার মত কথা বলেছি আমি,
কদিন আগেও পাগলের মত আচরন করতে।
আজ আমি জানতে চাই?
ঃযদি বলি না,,
ঃনিঃচয়ি এটা তোমার মনের কথা না।
রিজন কোন কথা বলল না, এবার প্রসযগ পালটে বলল,,
ঃ কোন ধরনের পাগল দেখবে বলো
ঃএকদম উন্মাদ!
ঃওখানে তোমার যাওয়া যবে না।
ঃ why?
ঃএরকম লোক গুলোর শরীরে পোষাক নেই তুমি মেয়েমানুষ।
তোমাকে যেতে দেবে না।
ঃমেয়েদের ওখানে।
ঃ পারমিশন নেই no allow.
ঃ চল সাধারন রোগী দেখি।
:ঃoke,,,
সামনের দিকে এগুতেই একটা লোক এগিয়ে এলো
ঃ,, পাগল দেখবেন আমার সাথে চলেন,
বিশটা টাকা দেন, সব যাগায় নিয়া যামু,,
আপনেগো যাইতে দিবো না।
(চলবে)