রুদ্র ম আল-আমিন এর উপন্যাস
(পর্ব -14)
“একজন মুক্তিযোদ্ধা”

তিথির সাথে রমাও, পুন্য কর্মকারের বাড়ি অবধি যায়.
গয়না নিয়ে, তিথি অনেকক্ষন কথা বলে.
কথা শেষ করেই রমাকে বলে যে,
ঃবাড়িতে শুকলা একা, তুই কিছু বলবি?
ঃবদর ,,, আমার উপর রাগ করেছে
ঃ কেন রে?
(চল হাটতে থাকি)
ঃবিথী বদরকে ডিস্টার্ব করে?
ঃ তার মানে ,,,,, তুই কি করছিস
ঃআমি রাগ করে কথা বলি না.
ঃ মা জানে?
ঃ না ,,
ঃ মাকে বলো না তুমি.
ঃ কি করবি.
ঃতুমি বল
ঃও আসলে ক্ষমা চাইবি, ও তোর বড়.
ঃ আর যদি কখুনো না আসে?

ঃআসবে রে আসবে, অনেকদিন হলো আছে না, মানুষ সব কিছু ভুলে না
ਤੁਸੀਂ ਨੂੰ ਹੋ ਹੈ. ਤੁਸੀਂ ਮੇਰੇ ਹੈ.
ঃ কি করব?
ঃ কয়দিন পর আবার আসতেছি ,,,
গয়নাটা নিতে হবে না, ওটা শুকলা জন্য.
ঃপীষি মাকে কিনতু বলো না
ঃ আচছা বাবা তুই যা ,, যা করার করবনে. স্কুলএর সময় হয়ে গেল.

রমা বাড়ি ফিরতেই মা জানিয়ে দিল যে, তোর শরীর টা ভাল না, আজ আর স্কুলে যাস নে.
রমা আজ আবার বদরের রুমে গেল.
চেয়ার টাতে বসতে ইচছে করছে, পরক্ষনে ভাবল যে না থাক এটায় বদরকেই মানায়.
ঘরটা গোছাতে লাগল, সব কিছু এলোমেলো, জুতো, মোজা, ধুতি, পাজামা, পানজাবি, বই, খাতা, কলম ইত্যাদি, বিছানার চাদরে সব জমা করল,
বই খাতা গুলো টেবিলে সাজালো. জুতো মোজা র্্যাকের নিচে রাখল, ধুতিটা হাতে নিতেই মনে হলো, বদরের শরীরে গন্ধ বেশ ভাল লাগছে, ধুতিটা বুকে চেপে ধরেই কেঁদে ফেলল, চোখ দিয়ে জরজর করে জল গড়িয়ে পরছে. এবার রুমের দরজা বন্ধ করল.
রমার মা উঠোনেই ছিল, দরজা বন্ধ করতে দেখেই বলে উঠল ,,
ঃকি করতেছিস ওখানে
প্রথমে কোন সারাসব্দ করল না তার পর আবার বলল ,,
ঃরমা ,,,
এবার উত্তর দিল,
ঃরুম পরিষকার করছি মা.
রমার মা আর কোন কথা বলল না., রমা, রুমের ভিতরে ধুতিটা গায়ে পেচিয়েই খাটের উপর বসেই মনে মনে হাঁসতে লাগল,
ঘনটা খানেক পর দরজা খুলে বিছানার চাদরে বদরের ধুতি, পায়জামা, পাঞ্জাবি সব নিয়ে এসে মাকে বলল যে, বদরের ঘরটা আমি পরিষকার করেছি, কাপড় গুলো এনেছি ধৌত করার জন্য। মাকে না জানালেও পারতো কিনতু ভয় পাইতেছিল মা আবার কিছু যদি বলে।
মা সম্মতি দিল যে, ধুয়ে রোদে মেলে দি

বাড়ির পাশেই পুকুরপাড়, সাধারনত এ সময় পুকুরে কেউ থাকে না। রমা আস্তে আস্তে পুকুরপাড়ে নামল, রমা এই প্রথম
অন্যের কাপড় ধৌত করতে যাচছে, কেননা (বিপিন) তাঁর দাদার কাপড় চোপড় গত তিন বছরে সপর্ষ করেনি, আজ যাচছে বদরের কাপড় ধৌত করতে।
তবে কি রমা বদলে যাচছে নাকি এর মধ্যে কোন গুপ্তধনের রহস্যে জরিয়ে যাচছে রমা।
(চলবে)