রুদ্র ম আল-আমিন এর উপন্যাস
( পর্ব ০৪)
” একজন মুক্তিযোদ্ধা ”

স্কুল ছুটি অরেকক্ষন আগেই হয়েছে। হেড মাষ্টার চেয়ারে হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করে বসে আছে। দপ্তরী বাইরে চেয়ারৈ বসে। অপেক্ষা করছে কখুন হেড মাষ্টার সাহেব বের হয়।
অবশেষে প্রতিক্ষার প্রহর কাটল, মাষ্টার মশাই বের হলেন, দপ্তরী পাশে দাড়িয়ে অফিস কক্ষ তালা দিলেন, চাবি হাতে দিয়েই দেখলেন , চোখ দিয়ে জল পরছে।
একবার ভাবল কিছু একটা বলি আবার ভাবল না থাক। তোবু আগ বাড়িয়েই বললেন
ঃ বিপিন কে দিয়ে কিছু করা যায় না ছার?
ওর বোন রমা আর বদর, একই ক্লাসে পরে! আপনি যদি অভয় দেন তো বিপিন কে ডেকে আনি?

রমা বেশ চটপটে একটা মেয়ে, সবে মাত্র বারো বছরে পা দিয়েছে। দেখতে দেবী দূর্গার মতোই কথা বলার ধরন ও ভাল।
ক্লাসের অনেকেই দুগগা বলে ডাকে।
কিনতু রমার দুগগা নাম শুনতে ভাল লাগেনা। দুগগা বললেই রেগে যায়।
দাদা মানে বিপিন ওর সবচেয়ে বেশী প্রিয় মানুষ। দাদার কথা রমা সব সময়ই মেনে থাকে। রমা একটু ব্যতিক্রমী, শ্রেনীতে বদর এর সাথে কেউ কথা বলে না এই রমা মাঝে মধ্যে দুএককথা বলে।
দপ্তরী ব্যাপার টা খেয়াল করেছেন বলেই
হেড মাষ্টার এর সামনে রমা- র নামটা উচচারন করল।

হেড মাষ্টার কি যেন ভাবল, তার পরই বলল,,
ঃযাও ডেকে নিয়ে আস!
দপ্তরী বিপিন কে ডেকে আনার জন্য চলে গেলেন। মাষ্টার মশাই স্কুল বারান্দা পা- চারি করছে। স্কুল ের পাশেই যেহেতু বিপিনদের বাড়ি সে হেতু বেশী দেরী হল না। বিপিন সামনে দাড়িয়েই নমস্কার করলেন,
ঃবদরের বাড়ি চেন?
ঃ ছার শুনেছি মাইল দশেক পশচিমে।
ঃতুমি কাল সকালে একটু যেতে পারবে
ঃ আমি তো বাড়ি চিনি না?
ঃযে কাউকে বললেই দেখিয়ে দেবে।
বলবে হেড মাষ্টার পাঠিয়েছে!
তাহলে বিপিন কথা এই টেই রইল।
(চলবে)