বাঃলাদেশের চাবি কি সুষমা সরাজের  হাতে?
রাজনীতি আর ধর্মনীতির মধ্যে খুব একটা পার্থক্য লক্ষ করা যায় না। কেন না ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বললে আপদ মস্তক ন্যাড়া হয়ে যায়। তখুন হাজারো সমস্যা ভর করে একজন সাধারন মানুষের উপর। সত্যি হয়ে যায় মিথ্যে  আর মিথ্যা হয়ে যায় সত্যি এটাই বাস্তবতা।

মোট কথা শুধু এর গুণগান করতে হবে।এর বাইরে একদম যাওয়া যাবে না

কিন্তু তোবু কিছু লোক এর থেকে বাইরে বের হবার চেষ্টা করতে পিছপা হয়নি, অনেকে জীবন প্রর্যনত দিয়ে দিয়েছে।

সম্রাট আকবর তখুনকার সময়” দীন ইলাহী ” ধর্ম প্রচার করেছিল তার চিন্তা ছিলো,, মানূষ কে এক কাতারে দার করানো,

কিন্তু তার সে প্রচেষ্টা সফল হতে পারেনি।

আমার মনে হয় এটা না করে তার একটা দল/ পার্টি গঠন করলে ভাল করতো।

রাজনীতি একদম ধর্মের অনুভুতির মত কাজ করে, রাজনীতিকক প্রধান যেটা বলেন, তার প্রজা গণ হুহু করে বিসসাস করে। কেননা দল আগামিতে ক্ষমতায় যাবে। অনেকে অনেক কিছু করবে, সাধারন লোকগুলোর মাথা খায়।
আজকাল online এ প্রায়ই রাজনীতির জমকাল কথা দেখি। যেন কেউ কেউ জানটা প্রর্যনত এই দিয়ে দিল।

সাবেক প্রধান মন্ত্রী তিন মাস পর ফিরলেন, পথের বাতি গুলো জালালো না সরকার। তার আগে প্রধান মন্ত্রী আসলেন মনে হল যেন যুদ্ধ করে ফিরলেন। এই হলো আমাদের দেশের নেতা নেত্রী। এরা নিজেরাই দেশটাকে ডোবাবে।

জনগণ আর কি পাবে?  জনতার কথা এদের মাথায় থাকেই না।

আমার এক facebook friend কামাল সাহেব দেখলাম কয়েকটা আর্ট করা শকুনের ছবি post করেছে। সেখানে যে লেখা গুলো পরলাম তাতে তার কথা আর আমার আরেক facebook friend Mohd Aimen Sha যা chat এ বলল তাতে মনে হলো সাধারন লোকগুলো একটা বোকার রাজ্যে বাস করে।

কেন না, দেশটা আমার আপনার,,,,, যোগ্য লোকদেরই হাতেই এ দায়ভার তুলে দিতে হবে। বিচলিত হবার কিছুই নেই।

অযোগ্য কে বর্জন করুন তবেই দেশ মাথা তুলে দাড়াবে। 
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী  সুষমা সরাজ বাঃলা দেশে এসেছে,, উনি বৈঠক করছেন অনেক নেতার সাথে আজ নাকি B N P খালেদা জিয়ার সাথে বৈঠক হবে, কিন্তু আমার কেবলই ২০১৩ সালের কথা মনে পরছে উনি কি না করতে পারেন। এরশাদ সাহেব কে সেদিন উনি কি সুন্দর   নির্বাচন করে দিলেন।
নির্বাচন যদি সুষমাদের দারাই সঃগঠিত হয় তবে আর সাধারন লোকজন দিয়ে কি হবে। রাজনীতি করে লাভ কি?  R.M.Al-Amin